আপনার শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করে ২টি সংখ্যা- আপনার দৈনিক ক্যালরি গ্রহণ এবং দৈনিক ক্যালরি ব্যয়। ওজন কমাতে সবচে স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি হলো পরিমাণ মতো খাওয়া যেন শরীর তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় এবং সেই অনুযায়ী ব্যায়াম করে অতিরিক্ত ক্যালরি খরচ করে ফেলা।

কিন্তু অনেকেই ব্যস্ত জীবনে ব্যায়াম করার জন্য আলাদা করে সময় বের করতে পারেন না। কিন্তু বাড়তি ওজন নিয়েও দুঃশ্চিন্তা। তারা তাহলে কিভাবে ওজন কমাবে?

নিজের দৈনিক কার্যক্রিয়া অপরিবর্তিত রেখেই, সাবধানতার সাথে খাদ্য তালিকা নির্বাচন করলেও ওজন কমানো সম্ভব। তবে এভাবে রাতারাতি ওজন কমানোর জন্য অনেকেই বিভিন্ন ক্রাশ-ডায়েট অনুসরণ করেন যা একদমই ঠিক নয়। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব আরো খারাপ।

খাদ্যতালিকা বদলে ওজন কমানো একটি দীর্ঘমেয়াদি অভ্যাসের ব্যাপার। এখানে কিছু সহজ পরিবর্তন উল্ল্যেখ করা হলো যা আপনি আজই শুরু করতে পারবেন।

লাল মাংস (রেড মিট) পরিহার করুন:

প্রোটিনের যোগান হিসেবে মাছ, হাঁস ইত্যাদি মাংস বেছে নিন। লাল মাংস যেমন গরু, খাসি ইত্যাদি হাই কোলস্টেরল ও ফ্যাট যুক্ত মাংস পরিহার করুন।

ভাজা খাবার আর নয়:

গ্রিল, বেক, রোস্ট বা বইল করে খাবার খান। যেকোনো সবজি বা মাংস ভেজে খেলে পুষ্টিগুণ তো কমেই, সাথে প্রচুর ফ্যাট যুক্ত হয়।

একটি স্যুপ বা একটি সালাদ দিয়ে শুরু করুন:

একটি স্যুপ বা সালাদ দিয়ে ডিনার শুরু করলে আপনার ক্ষুধা কমবে। ফলে আপনি কার্বোহাইড্রেট কম খেতে পারবেন।

কোলা-ড্রিংকস খাওয়া বন্ধ করুন:

যেখানে আপনি সীমিত পরিমাণ ক্যালরি গ্রহণের পরিকল্পনা করছেন সেখানে কোলা জাতীয় ড্রিংকসের একটি ছোট বোতল ধুলিস্মাৎ করে দিবে সব কিছু। প্রতি ২০ আউন্স (প্রায় ২৮ গ্রাম) কোলায় থাকে ২৫০ ক্যালোরি। তাহলে ২৫০ গ্রামের একটি বোতলের হিসাবটা আপনিই করুন।

বেশি বেশি পানি পান করুন:

একটু পরপর পানি খেলে আপনার ক্ষুধার ভাব কম লাগবে, পেট ভরাভরা মনে হবে। এতে আপনার প্ল্যানের বাইরে অযথা স্ন্যাক্স খাওয়ার ইচ্ছা হবে না।

একজন নিউট্রিশনিস্ট এর সাথে কথা বলে, আপনার পেশা, লিঙ্গ, বয়স অনুযায়ী সঠিক খাদ্যতালিকা তৈরী করতে পারেন। টনিক মেম্বারশীপের মাধ্যমে ৭৮৯ -এ কল দিয়ে ঘরে বসেই নিতে পারেন ডাক্তারের পরামর্শ। অথবা টনিকের তালিকাভুক্ত আপনার পছন্দের ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে পারেন টনিক অ্যাপ এর মাধ্যমে। আপনার সার্বিক সুস্থতাই আমাদের কামনা। 

লিখেছেন
টনিক
Tonic