পানি হোক নিত্যসঙ্গী

দাওয়াতে যাবেন, অপেক্ষা করছেন বন্ধুর জন্য। ভাবলেন এর মাঝে গলাটা একটু ভিজিয়ে নিই। ব্যাস পাশের দোকান থেকে একটা সফট ড্রিংক দিয়েই তৃষ্ণা মেটালেন। একটু পর বন্ধুর আগমন। তাকে নিয়ে পৌঁছে গেলেন দাওয়াতে। সেখানে বিরিয়ানি খাওয়ার ফাঁকে আবার চুমুক দিলেন কোমল পানীয়ের গ্লাসে। এভাবে পানির বদলে বার বার কোমল পানীয় পান করার প্রভাব জানেন তো?

পানির সঙ্গে ১১ চামচ চিনি?!

আপনাকে যদি জিজ্ঞেস করি ১১ চা চামচ চিনি দিয়ে শরবত খাবেন? উত্তরে ভদ্রভাবে না বললেও, মনে মনে নিশ্চয়ই প্রশ্নকর্তাকে ধুয়েই দিবেন। কিংবা হয়ত জিজ্ঞেস করে বসবেন, “পাগল নাকি?!” আপনি কিন্তু নিজের অজান্তে এই কাজটি প্রায়ই করছেন। চমকে উঠলেন? আধা লিটারের কোকাকোলার মধ্যে চিনির পরিমাণ কতখানি জানেন? প্রায় ১১ চা চামচ। বাজারে পাওয়া যায় এমন যে কোন কোমল পানীয়তে থাকে মাত্রাতিরিক্ত চিনি। ভিটামিন এবং খনিজও খুব কম থাকে। ভাবুন তো, কতবার খেয়েছেন একবারে ১১ চামচ চিনি?

ফলের জ্যুস হতে পারে বিকল্প

আমরা খাবার নিয়ে খুব একটা সচেতন নই। কোনটা খাব কিংবা কখন খাব এগুলা সম্পর্কে খুব স্পষ্ট ধারণা থাকে না। কিন্তু পানীয়ের একটা বিকল্প হতে পারে ফলের রস। এটা বেশ স্বাস্থ্যকর এবং এই ফলের রস হতে পারে আপনার দিনের কুইক স্ন্যাক্স। কিন্তু এটা মনে রাখাও গুরুত্বপূর্ণ যে বাজারে যেসব বোতলজাত ফলের জুস পাওয়া যায়, তাতে কোমল পানীয়ের  মতই প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। তাই, বোতলজাত জুস না খেয়ে, ঘরে বানিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন। আর জ্যুস বানানোর সময় যতটা সম্ভব কম চিনি যোগ করুন।

দাঁতের ক্ষতি  

আমরা সবাই কোমল পানীয় পান করি। আর কমবেশি সবাই ফলের রস খেতে পছন্দও করি। কিন্তু এগুলিতে থাকা চিনি বা সুগার আমাদের দাঁতের ফাঁকে জমা হয় যা মুখের মাঝে থাকা বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়ে অ্যাসিডে পরিণত হয়। আর এই অ্যাসিড  দাঁতের এনামেল নষ্ট করে । বিশেষ করে আপনি যদি প্রায়ই এ ধরণের পানীয় পান করেন।

হেলদি শপিং
বাসায় ফিরছেন আর সাথে করে নিয়ে যাচ্ছেন কোন পানীয় কিন্তু তাতে পুষ্টির পরিমাণ কতখানি তা একটু খেয়াল রাখুন। পুষ্টিমান লক্ষ্য রাখার এই আইডিয়াটা আপনাকে জানতে সাহায্য করবে পানীয়তে কি পরিমাণ চিনি থাকে। এতে প্রতিদিন, সপ্তাহ কিংবা প্রতিমাসে পানীয়ের মাধ্যমে আপনি, আপনার পরিবার কি পরিমাণ চিনি খাচ্ছেন করছেন তা জানতে পারবেন।        
 

ওজন বেড়ে অতিরিক্ত মোটা
অধিক চিনিযুক্ত পানীয় হয়ত প্রয়োজনের তুলনায় ক্যালরি তৈরি করে সহজে, কিন্তু পানির বদলে যদি কোমল পানীয় খাওয়া বেড়ে যায়, তবে তা ওজন বেড়ে যাওয়ার আরেকটি কারণ হতে পারে। শুধু কোমল পানিয়ই নয়, বোতলজাত জুসেও আছে প্রচুর পরিমানে চিনি যা আপনার ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে যা ভবিষ্যতে অনেক জটিল রোগের কারণ হতে পারে।

পানির প্রয়োজন মেটাতে পারে কেবল পানিই। কোমল পানীয় কখনই পানির বিকল্প হতে পারে না। কোমল পানীয়ের এইসব খুঁটিনাটি বিষয় যদি আপনাকে সচেতন হতে সাহায্য করে তাহলে শেয়ার করুন ফেসবুকে। অবশ্যই #Mytonic লিখতে ভুলবেন না।

 

৫২৪ বার পড়া হয়েছে এপ্রিল ১০, ২০১৬


৫২৪ বার পড়া হয়েছে


tonicadmin's picture

লিখেছেন টনিক

ভালো থাকতে ছোট বড় সব চেষ্টায় আপনার পাশে আছি আমরা। টনিক।

সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন

উত্তর দেখুন
 
লোডিং...

টনিক ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন

আজই টনিকের সকল সাধারণ ফিচার উপভোগ করুন

আপনার গ্রামীণফোন নাম্বারটি প্রদান করুন

০১৭ -

Top