ঈদের আর বেশিদিন বাকি নেই। বাঙালির ঈদ মানেই পরিবার, আত্মীয়, বন্ধুদের নিয়ে খাওয়া-দাওয়ার ধুম। ঈদের বাজার করতে গিয়ে মাথায় রাখতে হয় সবার আবদারের কথা। এবার আরো একটি জিনিস মাথায় রাখুন - উৎসবে রকমারি রান্নার ভিড়ে স্বাস্থ্য যেন পেছনে পড়ে না যায়। ঈদের বাজারকে স্বাস্থ্যকর করে তুলতে টনিক দিচ্ছে কিছু টিপস।  

১. পরিকল্পনা

সবার আগে কাগজে-কলমে পরিকল্পনা করে নিন। ঈদের দিনগুলোতে কি কি রাঁধতে চান তা নিধর্ারণ করুন। নতুন কোনো খাবার রেঁধে চমক দেবেন, না পরিবারের সব সময়ের প্রিয় খাবারগুলো দিয়েই টেবিল সাজাবেন তার ছক কেটে ফেলুন। এরপর ভাবুন সেগুলোকে আরো স্বাস্থ্যকর করে তোলা যায় কিভাবে।

২. রান্নার তেল

ঈদের রান্নায় তেল একটু বেশি ব্যবহার হবে এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে তেলটাকেই স্বাস্থ্যকর করে তোলা যাক? রাইস ব্র্যান অয়েল বা অলিভ অয়েল, ঘি বা সয়াবিন তেলের তুলনায় অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। কাজেই তেলটা বদলে ফেলুন।

৩. স্বাস্থ্যকর মাংস

গরু বা খাসির মাংস রান্নায় চর্বি বাদ দিন। দেশি মুরগি কেনার চেষ্টা করুন আর চামড়া বাদ দিয়ে রান্না করুন।

৪. শর্করা নিয়ে ভাবুন

ঈদে অন্তত এক বেলা পোলাও বা বিরিয়ানি তো খেতে হবেই। তাহলে একবেলা রুটি খান। আর সেক্ষেত্রে সাধারণ আটার বদলে ব্যবহার করুন লাল আটা। ভাতের ক্ষেত্রেও ঢেঁকি ছাটা চাল সাধারণ সাদা চালের চেয়ে বেশী স্বাস্থ্যকর।

৫. স্বাস্থ্যকর কাবাব

খাবার বা টিকিয়া বানানোর সময় তাতে মাংসের সাথে সবজি যোগ করুন। এতে স্বাদে নতুনত্ব পাবেন, সেই সঙ্গে খাবারটি স্বাস্থ্যকরও হবে।

৬. চিনি ছাড়াই মিষ্টি

ঈদের দিন মিষ্টি কিছু না খেলে চলে! মিষ্টি খাবারে চিনির বদলে ব্যবহার করুন সুগার সাবস্টিটিউট, ক্যালোরি কাউন্ট কমবে। এছাড়া আম, কলা, আঙুরের মতো মিষ্টি ফল ব্যবহার করেও খাবারে মিষ্টত্ব আনতে পারেন প্রাকৃতিকভাবেই।

৭. পানীয় বানান ঘরেই

কোমল পানীয় বা কেনা ফলের রসের বদলে বাড়িতেই বানান বোরহানি, লাবাং, দইয়ের শরবত বা তাজা ফলের জুস। কেনা পানীয়তে চিনি থাকে অতিরিক্ত যা খেতে সুস্বাদু হলেও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

৮. ফ্যাট ফাইটার্স

সবশেষে বাজারের তালিকাতেও রাখুন ফ্যাট ফাইটার খাবার দাবার। তাতে করে ঈদের ভারি খাবার আপনার সুস্বাস্থ্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। খাবারের সঙ্গে শসা, টমেটো, পেঁয়াজ, লেবু, কাঁচা মরিচের সালাদ খান, খাবারের শেষ পাতে  টক দই খান, খাবার খাওয়ার পর চিনি ছাড়া লেবুর শরবত বা গ্রিন টি পান করুন, সেই সঙ্গে পান করুন প্রচুর পানি। এগুলো ভারী খাবারের ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে কিছুটা হলেও সাহায্য করবে।

 

 

 


agency_content's picture
লিখেছেন
টনিক
Tonic is there to assist you no matter how big or small your problems may be