ইলিশ মাছ, চিংড়ি মাছ, কারো বা গরুর মাংস; এই খাবারগুলো অনেকেরই খুব পছন্দ কিন্তু খেলেই অ্যালার্জির সমস্যা শুরু হয় তাই খেতে পারেন না। বেশিরভাগেরই কোন না কোন খাবারে অ্যালার্জি থাকে। খুব সাধ এবং সাধ্য থাকা সত্ত্বেও  কেউ কেউ আছেন পাতে বেগুনি নিতে পারেন না। বেগুনের তৈরি যেকোনো খাবার খেলেই তাঁদের শরীরে উপদ্রবের মতো হাজির হয় নানা উপসর্গ। ঠোঁট চুলকানো, শরীর ফুলে যাওয়া থেকে শুরু করে গায়ে র‌্যাশও ওঠে কখনো কখনো। ব্যক্তিভেদে কারও কারও বমি হয়, হতে পারে মাথাব্যথা কিংবা পেট ব্যথা, ডায়রিয়াও হয় কখনো কখনো। যে খাবার খেলে অ্যালার্জিজনিত সমস্যা হয়, সেই খাবার প্রথমেই দীর্ঘদিন বন্ধ রাখতে হবে। তারপর খাওয়া শুরু করে দেখতে পারেন। যদি কোনো প্রতিক্রিয়া না হয় তবে চালিয়ে যেতে পারেন খাবারটি। আর যদি শারীরিক অসুস্থতা হয়, তবে খাবারটা বন্ধ করে দেওয়াই ভালো। 
নিজেকেই খুঁজে বের করতে হবে কোন কোন খাবারে অ্যালার্জি আছে। সে খাবারগুলো এড়িয়ে চলতে হবে প্রথমে। এ ক্ষেত্রে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই হবে শ্রেষ্ঠ ।  তবে মনে রাখতে হবে যে কোনো একটি খাবার যদি একজনের শরীরে অ্যালার্জিজনিত সমস্যা তৈরি করে, সেই খাবারটি অন্য জনের শরীরে অ্যালার্জি তৈরি করবে এমন নয়।

প্রতিকারঃ

বাড়িতে বসে নিজে নিজে খানিকটা প্রতিরোধব্যবস্থা গড়তে পারেন অ্যালার্জির বিরুদ্ধে। খাবারের বেলায় ভিটামিন-ই ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার বেশি বেশি খান। অ্যালার্জির বিরুদ্ধে লড়তে এই সব ভিটামিনের জুড়ি নেই। গাজর কিংবা শসার রসে অ্যালার্জি প্রতিরোধী উপাদান আছে। তাই গাজর, শসা খেতে পারেন নিয়ম করে। এছাড়াও পেঁয়াজ, বেরি, পার্সলে, আনারস, কিউই, মধু ইত্যাদি হিস্টামিন প্রতিরোধে সাহায্য করে।
শরীরে অ্যালার্জি রিঅ্যাকশন দেখা দিলে তাৎক্ষণিক আরাম পেতে  ঠান্ডা পানিতে গোসল কিংবা ঠান্ডা পানিতে শরীর ধুয়ে নিতে পারেন, আরাম পাবেন। তাছাড়া সময়টায় সুতি কাপড় পড়তে পারেন। সাথে একটি অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ খেতে পারেন। ফার্মেসিগুলোতে বেশ কয়েকধরণের অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধ পাওয়া যায়। এসব কিছুতেই যদি কাজ না হয় তবে দেরি না করে দ্রুত  বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।




 


ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য ক্লিক করুন এই লিঙ্কে: https://mytonic.com/bn/doctors  

agency_content's picture
লিখেছেন
টনিক
Tonic is there to assist you no matter how big or small your problems may be