ফুসফুস এর গোমর ফাঁস

যতক্ষণ আপনি শ্বাস নিতে পারবছেন আর নিঃশ্বাস ছাড়তে পারছেন ততক্ষণই বেঁচে থাকবেন। আর এই শ্বাস-নিঃশ্বাস ততক্ষণই চলবে যতক্ষণ ভালো থাকবে আপনার ফুসফুস।

ফুসফুসের কদর        

কোন কিছুর মর্ম আমরা তখনই বুঝি যখন তা ঠিকমতো কাজ করে না, তার আগে আমরা মনেই রাখি না তার প্রয়োজনীয়তা কতখানি। ফুসফুসটা তেমনই। আমাদের  বেঁচে থাকতে হলে ফুসফুস কতটা গুরুত্তপূর্ণ আমরা প্রায়ই ভুলে যাই। ঠিক বুঝি তখন, যখন শ্বাস-প্রশ্বাসে একটু সমস্যা তৈরি হয়। তাই  ভালো থাকতে হলে শরীরের অন্যান্য সবকিছুর মত ফুসফুসটাকেও কিন্তু ভালো রাখতে হবে। প্রতিদিন যত্ন নিতে হবে ফুসফুসের। শরীরের সমস্ত কোষে বা সেলে  অক্সিজেন পৌঁছে দেবার কাজটা কিন্তু ফুসফুসই থেকেই শুরু হয়। বাতাসের অক্সিজেন ফুসফুসের মাধ্যমেই রক্তে প্রবেশ করে আর রক্ত তা বহন করে পৌঁছে দেয় বিভিন্ন কোষে। আবার কোষের তৈরি কার্বন-ডাই-অক্সাইডও রক্ত দ্বারা বাহিত হয়ে ফুসফুসে আসলে এই ফুসফুসই তাকে পরিবেশে বের করে দেয় নিঃশ্বাসের মাধ্যমে। আর পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাবে শরীরে নানা রকমের স্বাস্থ্যসমস্যা দেখা দিতে পারে।

ব্রিদিং এক্সারসাইজ

বুক ভরে লম্বা নিঃশ্বাস নেয়া আর ধীরে ধীরে নিঃশ্বাস ছাড়ার ব্যায়াম আপনার ফুসফুসকে আরও মজবুত, কার্যকরী করবে। যখন আমরা বুক ভরে শ্বাস নেই তখন আমাদের পাঁজরের হাড় বা রিবস বাইরের দিকে সরে আসে পাশাপাশি ডায়াফ্রামের পেশী সংকুচিত হয়ে নিচে নেমে যায়, ফলে আমাদের ফুসফুস প্রসারণের জন্য যথেষ্ট জায়গা পায়,  আবার যখন নিঃশ্বাস ছেড়ে দেই তখন রিবস এবং ডায়াফ্রামের পেশী আগের অবস্থানে ফিরে আসে। এভাবে গভীর শ্বাস প্রশ্বাস নেয়ার ফলে আমাদের শরীর অতিরিক্ত অক্সিজেন পায় যা আমাদের শরীরকে বেশি বেশি শক্তি যোগায় এবং ক্লান্তি আর স্ট্রেস দূর করে। সময় পেলেই আমাদের উচিত এভাবে বুক ভঁরে একটু লম্বা সময় ধরে শ্বাস প্রশ্বাস নেয়া ও ছাড়ার এক্সারসাইজ করা।  

হাসাহাসি হোক ইচ্ছে মত   

হাসতে কার না ভালো লাগে, আর যত বেশি হাসব মনটাও আরও ভালো থাকবে। তবে হাসাহাসিটা এক ধরণের ব্যায়ামও বটে। এমন কিন্তু হয় হাসতে হাসতে আমরা  বলে উঠি, আরে থাম পেট ব্যাথা করছে, কিন্তু জেনে অবাক হবেন এটা কিন্তু ভালো। মন খুলে যখন হাসছেন তখন ফুসফুসে অধিক পরিমাণে বাতাস বা অক্সিজেন প্রবেশ করে, ফলে ফুসফুসের কার্যক্ষমতাও বাড়ে। এমনটাও বলা যায় যে, হাসাহাসি ফুসফুসে থাকা বিস্বাদ বাতাস গুলো বের করে দেয় আর আর প্রান ভরে বিশুদ্ধ বাতাস নিয়ে ফুসফুসে পৌঁছে দেয়।

অ্যাকটিভ থাকি নিজেকে পুরস্কৃত করি

আচ্ছা পুরস্কার পেতে কার না ভালো লাগে। প্রতিদিনই টুকটাক ওয়ার্কআউট কিন্তু আপনার ফুসফুসের জন্য  দারুণ ফল বয়ে আনতে পারে। আর প্রতিনিয়ত যখন এর মাত্রাটা ধীরে ধীরে বাড়াবেন আপনি পুরস্কার হিসেবে ১টি নয়, একসাথে ৩ টি পুরস্কার পাবেন  ।  ফুসফুস আর হার্ট থাকবে খুব ভালো আর সাথে মুডটাও থাকবে আরও ভালো। এক কথায় চরম ভালো ।    

নিজের ফুসফুসকে যত্নে রাখার এসব উপায় যদি ফুসফুসকে আরও ভালো রাখে তাহলে তা সবার সাথে শেয়ার করে জানিয়ে দিন। আর ফেইসবুকে শেয়ার করার আগে অবশ্যই #mytonic লিখুন।

১৬১৭ বার পড়া হয়েছে এপ্রিল ১৪, ২০১৬


১৬১৭ বার পড়া হয়েছে


tonicadmin's picture

লিখেছেন টনিক

ভালো থাকতে ছোট বড় সব চেষ্টায় আপনার পাশে আছি আমরা। টনিক।

সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন

উত্তর দেখুন
 
লোডিং...

টনিক ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন

আজই টনিকের সকল সাধারণ ফিচার উপভোগ করুন

আপনার গ্রামীণফোন নাম্বারটি প্রদান করুন

০১৭ -

Top