ঈদের লম্বা ছুটির পরে অনেকেরই জন্য ওজন মাপার মেশিন বয়ে আনে দুঃসংবাদ। একটু কৌশলী হলেই কিন্তু ঈদ উৎসবেও ওজন থাকবে নিয়ন্ত্রণে। টনিকের বাতলে দেয়া পথে হাঁটলেই ঈদের কেবল আনন্দই কুড়াবেন বাড়তি ওজন নয়।

নিয়মের বাইরে খাওয়া

প্রতিদিন আপনার যা খাওয়া হয় তার বাইরে এই কয়দিনে যা খাবেন তাই-ই কিন্তু আপনার ওজন বাড়াবে। কিছুক্ষণ পর পর একটু কোক, একটু সেমাই, সামান্য ভাজাপোড়া - উৎসবের সময়ে এই একটু-আধটু খাওয়াই কিন্তু কাল হয়ে দাড়ায়। তাই সতকর্ থাকুন।

অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকা

ঈদের দাওয়াতে যাবার আগে অনেকক্ষণ না খেয়ে আছেন? খিদে পেটে খেয়ে প্রথমেই খাবেন একগাদা ভাজাপোড়া। আর তাতে কিন্তু ওজন বাড়বেই। বরং দাওয়াতে যাবার আগে বাসা থেকেই হালকা কিছু খেয়ে যান। তাহলে খুব বেশি খিদেও লাগবে না আর খাবার আসলে আপনার অতিরিক্ত খাওয়াও হবে না। আর বাড়ি ফিরে পরের বেলায় হালকা খাবেন। এতে দিনের খাবারের ভারসাম্য বজায় থাকবে।

গ্লাসের পর গ্লাস কোমল পানীয়

যাই বলেন না কেন, দাওয়াতে গেলে পোলাও, বিরিয়ানির সাথে কোমল পানীয় না খেলে একেবারেই চলে না। পাতে খাবার হয়তো অল্পই তুললেন, কিন্তু গলায় ঢালছেন গ্লাসের পর গ্লাস কোমল পানীয়। আর এসব পানীয়তে থাকা অতিরিক্ত চিনি ওদিকে জমতে শুরু করে দেবে মেদ হয়। সব সময় মনে রাখবেন বিশুদ্ধ পানির কোনো বিকল্প নেই।

স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকিং

দাওয়াতে গেলে মূল খাবারের আগে কিছু জিভে জল আনা অ্যাপেটাইজার থাকবেই। আর বিশ্বাস করুন, এগুলোর বেশিরভাগই ক্যালোরিতে ঠাসা। সম্ভব হলে ডুবো তেলে ভাজা খাবার বা মিষ্টির বদলে ফ্রুট সালাদ, রাইতা বা গ্রিল করা মাংস খান। আর সস এড়িয়ে দইয়ের ডিপ খুঁজুন, এটা বেশি স্বাস্থ্যকর।

আড্ডার ফাকেও ব্যায়াম

ছুটির সময় আমাদের সব রুটিন ওলট-পালট হয়ে যায়। ফলে নিয়মিত ব্যায়ামও করা হয়ে ওঠেনা। এ সময়ের জন্যেই আছে ইন্সিডেন্টাল এক্সারসাইজ। সম্ভব হলে লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করুন, এক জায়গায় বসে গল্প না করে বন্ধু বা আত্মীয়কে নিয়ে বাইরে হেঁটে আসুন। দেখবেন, চাঙ্গা লাগছে।

পারিবারিক দাওয়াত

উৎসবের মজাই হলো পরিবারের সবাই মিলে একসঙ্গে খাওয়া। কিন্তু সবাই মিলে গল্প করতে করতে খাওয়া হয়ে যায় প্রয়োজনের চেয়ে বেশী। তাই পারিবারিক দাওয়াতে অনেক রকমের মাংস না রেঁধে, রাখুন সবজির নানা পদ। এতে টেবিলে বসে লম্বা সময় আড্ডা দিলেও খুব বেশি ক্যালোরি খাওয়া হবে না।

ওজন নিয়ে বেশি ভাববেন না

ঈদে ওজন বাড়তে পারে, এই দুশ্চিন্তায় উৎসবের আনন্দটাকেই আবার মাটি করে বসবেন না যেন। অনেক ধরনের খাওয়া দাওয়ায় ওজন যদি সামান্য বাড়ে, তা নিয়ে উত্তেজিত হবেন না। স্বাভাবিক রুটিনে ফিরে আসলে ব্যায়ামের সময়টা একটু বাড়িয়ে অতিরিক্ত ওজনটাও ঝরিয়ে ফেলতে পারবেন নিশ্চিত।

আর্টিকেলটি ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন #mytonic লিখে।

tonicadmin's picture
লিখেছেন
টনিক
Tonic is there to assist you no matter how big or small your problems may be