ওজন কমাতে ব্যায়ামের বিকল্প নেই। কিন্তু এমন কিছু ব্যায়াম আছে যেগুলো দিনের পর দিন করলেও ওজন কমে না। ওজন কমাতে সহায়ক নয়, এরকম ৫ টি ব্যায়াম নিয়ে এখানে আলোচনা করা হলো-

১. বসা অবস্থায় হিপ এ ওজন বাড়ানো/কমানোঃ

প্রত্যাশা অনুযায়ী ফ্যাট কমানোর জন্য স্বয়ংক্রিয় মেশিনে ওজনের সাহায্যে হিপ ব্যায়াম করলেও সাধারণত লাভ হয় না। মেশিনে ওজন বাড়ালে/ কমালেও ফলাফল অপরিবর্তিত থাকে। তাই ওজন কমানোর জন্য এইভাবে ব্যায়াম বন্ধ করাই ভালো।

২. স্কোয়াটসঃ

উরু দৃঢ় করার ক্ষেত্রে স্কোয়াটস খুবই কার্যকরী ব্যায়াম। কিন্তু শরীরের অতিরিক্ত ওজন কিংবা চর্বি আচ্ছাদিত অংশের জন্য এই ব্যায়াম তেমন কাজের না। এতে উরু এবং নিতম্বের অংশটুকু আরো বড় দেখাবে। যদি এই ব্যায়ামের সময় দুই হাতে বেশি ওজন ব্যবহার করলেও শরীরের মেদ/ ফ্যাট কমাতে এর কোন ভূমিকা পাওয়া যায় না।

৩. হাতে ওজন নিয়ে শরীর বাঁকানোঃ

ডাম্বেল জাতীয় ওজন হাতে শরীর বাঁকানোর ব্যায়ামও অহরহ করতে দেখা যায়। তবে এতেও শরীরের ফ্যাট কমে না। এই ব্যায়ামের ফলে পেটের সারফেস এরিয়া বেড়ে যায় ফলে কোমরের অংশটুকু খানিকটা সরু হয়। তবে ফ্যাট কমানোর জন্য হাতে ওজন ছাড়াই শরীর বাঁকানোর ব্যায়াম করতে হবে।

৪. পুশ আপঃ

পুশ আপ খুবই কমন একটা ব্যায়াম এবং এই ব্যায়ামে কোন যন্ত্রপাতির সাহায্য লাগে না বলে অনেকেই এটা অনুসরণ করেন। খুব সহজেই এবং বাড়িতেই এই ব্যায়াম করা যায়। পুশ আপের সময় সাধারণত হাতের তালুতে ভর দিয়ে ওঠা নামা করা হয়। তবে এতে হাতের এবং কাঁধের পেশী শক্ত হওয়া আর ফুলে যাওয়া ছাড়া শরীরের ওজন কমানোর কাজে কোন লাভ পাওয়া যায় না।

ওজন কমাতে চাইলে পুশ আপের সময় হাতের তালুতে ভর না দিয়ে দুই হাত কনুই পর্যন্ত মেঝেতে রেখে পুশ আপ দেয়া যেতে পারে।

৫. কোমরের সাহায্যে ব্যাক এক্সারসাইজঃ

ব্যাক এক্সারসাইজ অনেক কঠিন এক ধরনের ব্যায়াম। এই ব্যায়ামের ফলে পিঠের অংশটা আরো বেশি প্রসস্থ হয়।  তবে ঘন ঘন ব্যাক এক্সারসাইজ না করাই ভালো। সপ্তাহে এক কি দুই দিন ব্যাক এক্সারসাইজ করা যেতে পারে, হালকা ওজনের সাহায্য নিয়ে এই ব্যায়াম করলে পিঠের পেশিগুলো আরো শক্তিশালী হবে। এর সুবিধা হচ্ছে পেশী শুধু শক্তিশালী’ই হবে, পেশীর ওজন বাড়বে না।

agency_content's picture
লিখেছেন
টনিক
Tonic is there to assist you no matter how big or small your problems may be