রোজ ৫ মিনিট ব্যয় করে হন দীর্ঘজীবী

আমার ব্যায়াম করার কোনো সময় নেই - প্রতিদিনই এই কথা বলছেন নিজেকে? এরপর অনুশোচনায় ভুগছেন নিশ্চয়ই? চিন্তা নেই। ব্যস্ততার ফাঁকেও যারা সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘ জীবন চান, তাদের পাশে আছে টনিক।

সময়ের অভাবে ব্যায়াম না করার অজুহাত দেখান অনেকেই। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিনই যে ঘণ্টা খানেক ব্যায়াম করতে হবে এমন কোনো কথা নেই।

দৌড়ানোতেই লুকিয়ে আছে স্বাস্থ্য

ব্যায়াম করতে পারছেন না? সমস্যা নেই, ৫-১০ মিনিট দৌড়ে নিন। দৌড়ের গতি যেমনই হোক, কাজ হয়ে যাবে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৫ বছর ধরে ৫৫ হাজার প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির (যাদের গড় বয়স ৪৪) ওপর চালানো গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ধরে দৌড়ালে স্বাস্থ্য ভাল থাকে। যারা নিয়মিত দৌড়েছেন, অন্যদের চেয়ে তাদের আয়ু ছিল কমপক্ষে ৩ বছর বেশি।

শুধু তাই নয়, অন্যদের চেয়ে তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর আশঙ্কা ছিল ৪৫ শতাংশ কম। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের লিঙ্গ, বয়স, মদ কিংবা ধূমপানের অভ্যাস সব কিছু মিলিয়েই এই প্রমাণ পেয়েছেন গবেষকরা।

শুরু করুন এবং চালিয়ে যান

সারাদিন কাজের পর রাজ্যের আলসেমি যেন জেঁকে ধরে। ব্যায়াম করার ইচ্ছা আর থাকে না। কিন্তু আপনি যেহেতু জানেন ব্যায়ামের উপকারিত কি, তাহলে থেমে থাকবেন কেন? এবার থাকছে এমন কিছু টিপস, যা আপনাকে ব্যায়াম শুরু করতে এবং চালিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

শুরু করবেন যেভাবে:

# যদি আপনার বয়স চল্লিশের বেশি হয়, তাহলে যে কোনো ব্যায়াম শুরুর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। একইভাবে বয়স কম হওয়া সত্ত্বেও যদি আপনার হৃদরোগ, হাঁপানি, ডায়াবেটিস কিংবা পেশির রোগ থাকে, তাহলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নিন।

# বেশ কিছুদিন ধরে ব্যায়াম না করে থাকলে হঠাৎ করে দৌড়াতে ভালো নাও লাগতে পারে। এক্ষেত্রে প্রশিক্ষকের সাহায্য নিতে পারেন কিংবা পার্কে একসঙ্গে দৌড়ায় এমন কোনো গ্রুপে যোগ দিতে পারেন।

# দৌড়ানোর জন্য আলাদা জুতো পাওয়া যায়, সেগুলো পড়বেন। ঢিলেঢালা কাপড় পড়ুন।

# পানির বোতল সঙ্গে রাখুন, একটু একটু করে পানি খাবেন।

# ওয়ার্ম আপ করুন হালকা হাঁটাহাঁটি কিংবা অল্প দৌড়ের মাধ্যমে, তারপর গতি বাড়ান। দৌড় শেষে পেশি শিথিল করার সময় টানটান হয়ে স্ট্রেচ করুন।

নিয়মিত ব্যায়াম চালিয়ে যান:

# দৌড়ানোকে অন্য কাজের মতোই গুরুত্ব দিন। কাজের তালিকায় আলাদাভাবে চিহ্নিত করে রাখুন নিয়মিত ব্যায়ামকে। কাজের ফাঁকে যদি সময় পাই - এভাবে চিন্তা করা ছাড়ুন।

# বন্ধু কিংবা পরিবারের কাউকে নিয়ে দৌড়ান। এভাবে আপনাদের সম্পর্ক আরও গভীর হবে, একে অন্যের উন্নতির দিকেও খেয়াল রাখতে পারবেন।

# একই রাস্তায় প্রতিদিন দৌড়াবেন না, মাঝে মাঝে পথ বদলান।

সতর্কতা

নিজের শরীরের কথা শুনুন, নিজের ওপর সব সময় চাপ দেবেন না। যদি আপনি অসুস্থ বোধ করেন কিংবা কোনোভাবে ব্যাথা পান, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তবেই দৌড়াতে নামুন। মাঝে মাঝে ছোটখাটো অসুস্থতা অবহেলা করা ঠিক নয়।

আর্টিকেলটি ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন #mytonic লিখে। 

৮৮৮৭ বার পড়া হয়েছে জুলাই ৪, ২০১৬


৮৮৮৭ বার পড়া হয়েছে


tonicadmin's picture

লিখেছেন টনিক

ভালো থাকতে ছোট বড় সব চেষ্টায় আপনার পাশে আছি আমরা। টনিক।

সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন

উত্তর দেখুন
 
লোডিং...

টনিক ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন

আজই টনিকের সকল সাধারণ ফিচার উপভোগ করুন

আপনার গ্রামীণফোন নাম্বারটি প্রদান করুন

০১৭ -

Top