সারাদিন ভীষণ ব্যস্ত? আছে কি আপনার জীবনে কোন কাকডাকা শান্ত ভোর, নিস্তরঙ্গ নির্জন দুপুর, অথবা অলস বিকেল? জানি তো, নেই। আমাদের কারো জীবনেই নেই। আছে শুধু হুলস্থূল। সকালে উঠেই অফিসে দৌড়, স্কুলে দৌড়, রান্নাঘরে দৌড়। সারাদিন কাজের চাপে নাভিশ্বাস অবস্থা। জমতে থাকা ক্লান্তি, দুশ্চিন্তা, স্ট্রেসের বোঝা হালকা করার সুযোগ নেই, পরদিন আবার জীবনের নিরন্তর প্রতিযোগীতায় নেমে পড়া। এভাবে আর কতদিন চলা যায় বলুন তো? কখনো মনে হয় না চারদিক থেকে ঘিরে ধরা অবসন্নতার অন্ধকার ঠেলে আর এগুনো যাচ্ছে না?

মানবদেহ যন্ত্র নয়। আমাদের কর্মদক্ষতা ও সফলতা নির্ভর করে শরীর এবং মন কতটা সুন্দরভাবে মিলে মিশে কাজ করছে তার উপর। শারীরিক অসুস্থতার ছাপ যেমন প্রভাব ফেলে মনে, তেমনি মানসিক ক্লান্তি, অবসাদ দেহের গতি থামিয়ে দেয়। তাই রোজকার স্ট্রেসকে সামান্য বলে উড়িয়ে দেবেন না। মনের বরাদ্দ খোরাকটুকু মনকে দিন- অভ্যাসে ছোট ছোট পরিবর্তন এনে চেষ্টা করুন দিনগুলোকে একটু স্ট্রেস ফ্রি রাখার। শুধু কয়েকটা দিন করে দেখুন, নিজের নতুন উদ্যম আর আত্মবিশ্বাস দেখে অবাক হবেন আপনিও।

স্ট্রেসকে জয় করার কিছু ছোট্ট টিপস-

  • রাতে পর্যাপ্ত ঘুমান

  • রোজ একটু ব্যায়াম করুন

  • গভীরভাবে শ্বাস নিন

  • মেডিটেশন করুন

  • হাসিখুশী থাকুন

  • ঠিক কোন কোন বিষয়গুলো আপনার স্ট্রেস বাড়াচ্ছে চিহ্নিত করুন

  • গুছিয়ে রাখুন নিজের চারপাশ

  • সারাদিনের কাজগুলো প্ল্যান করে নিন

  • মমতা আর কৃতজ্ঞতার অনুভূতিগুলোকে লালন করুন

  • স্বাস্থ্যকর খাবার অভ্যাস করুন

  • শিশুদের সাথে খেলুন

  • প্রতিদিন কিছুটা সময় নীরবতা পালন করুন

  • আকাশকুসুম ভাববেন না, নিজের কাজের বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

  • পরিবারের সাথে সময় কাটান

  • কাজের ফাঁকে নিয়মিত অবকাশ যাপনের কথা ভুলবেন না যেন

তাহলে নিজের জীবনের নিয়ন্ত্রণ এবার নিজের হাতে নিন। যখন স্ট্রেসের লাগাম থাকবে আপনার হাতের মুঠোয়, চলার পথে ছোটখাটো হোঁচট খেলেও আপনি আর ঘাবড়ে যাবেন না- দৃঢ় পায়ে এগিয়ে চলবেন শুধুই সামনে।

agency_content's picture
লিখেছেন
টনিক
Tonic is there to assist you no matter how big or small your problems may be