ট্র্যাফিক জ্যামকে যেভাবে কাজে লাগালো তনয়

লস এঞ্জেলেস, নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশ, ট্র্যাফিক সবজাগাতেই একটা সমস্যা আর বাংলাদেশে তো আমাদের দৈনিক রুটিনের একটি অংশ। চলুন দেখি মিস্টার তনয় কিভাবে হার মানালো এই ট্রাফিককে!

সকাল ৯:০০- অফিসে যাওয়ার পথে রাস্তায় প্রচন্ড জ্যাম দিয়ে শুরু হলো তার দিন। তখনই মনে পড়লো মানিব্যাগ-এর অপ্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র পরিষ্কার করার জন্য এটা ভালো সময়। মানিব্যাগ বের করে তিনি অপ্রয়োজনীয় কার্ড, কাগজপত্র এবং রসিদ সব ফেলে দিয়ে শুধু কাজের কাগজ গুলো রাখলেন।

দুপুর ১:৩০- মিস্টার তনয় লাঞ্চ ব্রেক থেকে ফেরার পথে আবারও পেলেন ট্রাফিক জ্যাম। হঠাৎ তার খেয়াল হলো আজ তার মায়ের জন্মদিন। ফোন দিয়ে তার মাকে শুভেচ্ছা জানানোর সাথে এটাও মনে করিয়ে দিলেন কিভাবে টনিক অ্যাপটি ব্যবহার করে সে নিজের প্রতি খেয়াল রাখতে পারে।

অনেক সময় এরকম ছোট-খাটো কিছু কথোপকোথনই পুরানো সম্পর্কগুলোকে তাজা করে তোলে।

সন্ধ্যা ৬:৩০- সন্ধ্যার জ্যাম ঠেলে বাড়ি ফিরতে কমপক্ষে ২ ঘন্টা সময় লাগবেই, এটা মিঃ তনয়ের অজানা নয়। তাই সাথে কিছু বই তিনি সাথেই নিয়ে এসেছিলেন। এমন সময়ই হঠাৎ তার বাসা থেকে একটি ফোন কল আসে। তিনি জানতে পারেন তার ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় কোনো ভাবেই তিনি ২ ঘন্টা অপেক্ষা করতে পারেন না। তাই সাথে সাথেই টনিক অ্যাপ দিয়ে ডাক্তারের এ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করেন এবং তার স্ত্রী তখনই ছেলেকে চেক-আপের জন্য নিয়ে যান। তাই যখন তনয় হাসপাতালে পৌঁছান, ছেলে তখন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ নিয়ে সুস্থ।

রাত ৯:৩০- ডাক্তারদের কাছ থেকে বাড়ি ফেরার পথে মিঃ টনিয় ও তার পরিবার আবার ট্রাফিক সিগনালে অপেক্ষা করছিলেন। এই সময়টুকুতেই তনয় মনে মনে ঠিক করে ফেললেন আগামীদিন অফিস এ কি কি কাজ করবেন। এভাবেই তিনি সফলভাবে ট্র্যাফিককে জয় করলেন এবং আটকে থাকা সময়ের সদব্যবহার করলেন।

৩১২৫ বার পড়া হয়েছে আগস্ট ১৩, ২০১৭


৩১২৫ বার পড়া হয়েছে


agency_content's picture

লিখেছেন টনিক

ভালো থাকতে ছোট বড় সব চেষ্টায় আপনার পাশে আছি আমরা। টনিক।

সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন

উত্তর দেখুন
 
লোডিং...

টনিক ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন

আজই টনিকের সকল সাধারণ ফিচার উপভোগ করুন

আপনার গ্রামীণফোন নাম্বারটি প্রদান করুন

০১৭ -

Top