আধুনিক বিশ্বে মোবাইল ফোন ছাড়া যেন মানুষের একটি দিনও চলে না।  তবে ভাবনার বিষয় এই যে, যেসব পুরুষ সাধারণত তাঁদের প্যান্টের পকেটে মোবাইল ফোন রাখেন তাঁদের প্রজননের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এক্সেটর বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োসায়েন্সের গবেষক ফিয়োনা ম্যাথিউসের নেতৃত্বে একদল গবেষক এ সংক্রান্ত বিগত ১০টি গবেষণার রিভিউ করেন এবং এক হাজার ৪৯২টি নমুনা পর্যবেক্ষণ করেন। মোবাইল ফোন ব্যবহারে ক্ষতির বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানতে এই উদ্যোগ নেন তাঁরা। ম্যাথিউস স্বীকার করেছেন, তাঁরা যে গবেষণা করেছেন তাতে দেখা গেছে মোবাইল থেকে নির্গত হওয়া রেডিও-ফ্রিকোয়েন্সি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন শুক্রাণুর গুণগত মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

মোবাইল ফোন যেভাবে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলে

মোবাইল ফোন থেকে নির্গত রেডিয়েশনের প্রভাবে মানবদেহের ক্ষতি হয়ে থাকে। মোবাইল ফোন হতে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন নির্গত হয়। এ রেডিয়েশনে এমন মাত্রায় বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় শক্তি আছে, যেটি থেকে অণু-পরমাণুকে বিচ্ছিন্ন করতে এবং মানবদেহের রাসায়নিক বিক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। এতে কোষের স্বাভাবিক কার্যক্রম নষ্ট হয়। এ ছাড়া তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য কি করে। এতে শুক্রাণুর গুণগত মান ও পরিমাণ হ্রাস পায়।

স্বাস্থ্যঝুঁকি প্রতিরোধে যা করবেন

১. মোবাইল ফোনকে যতটা সম্ভব শরীর থেকে দূরে রাখতে হবে।

২. ঘুমানোর সময় মোবাইল মাথা থেকে দূরে রাখতে হবে।

৩. টানা দীর্ঘ সময় মোবাইলে কথা বলা উচিত নয়।

৪. কথা বলার সময়ের দৈর্ঘ্য কমাতে হবে। অথবা বেশি সময় কথা বলার ক্ষেত্রে কান পরিবর্তন করে কথা বলতে হবে।

৫. প্যান্ট বা শার্টের পকেটে ফোন না রেখে হাতে রাখা অপেক্ষাকৃত নিরাপদ।


agency_content's picture
লিখেছেন
টনিক
Tonic is there to assist you no matter how big or small your problems may be