রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অভাবঃ কি করে বুঝবেন?

আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেম বিভিন্ন উপাদানের জটিল সমন্বয়ে তৈরী এক প্রাকৃতিক হাতিয়ার যা রোগ জীবাণুর বিরুদ্ধে সুরক্ষা জোগায়। এসব উপাদানের যে কোনটির অভাব হলে ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। এই অবস্থাটিকেই বলে প্রাইমারী ইমিউনোডেফিসিয়েন্সী।

প্রাইমারী ইমিউনোডেফিসিয়েন্সী একটি নির্দিষ্ট রোগ নয়, বরং কতগুলো বিরল রোগের সমষ্টি। প্রায় বারোশো জনে একজনের মধ্যে এই সমস্যা দেখা যায়। এতে আক্রান্ত হলে ঘন ঘন জীবাণু সংক্রমণ ঘটে এবং সহজে সারতে চায় না। ছোট বড় নির্বিশেষে প্রাইমারী ইমিউনোডেফিসিয়েন্সী হতে পারে, আর এর লক্ষণও প্রায় একই। দ্রুত রোগ নির্ণয়ের জন্য এই লক্ষণগুলোকে চেনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই দেখে নিন এরকম জরুরী দশটি লক্ষণ -

   

শিশুদের লক্ষণ

বড়দের লক্ষণ

১।

এক বছরের মধ্যে চার বা তার চেয়ে বেশী বার কানের ইনফেকশন হওয়া।

এক বছরের মধ্যে চার বা তার চেয়ে বেশী বার কানের ইনফেকশন হওয়া।

   ২।   

এক বছরের মধ্যে দুই বা তার চেয়ে বেশী বার সাইনাসের ইনফেকশন হওয়া।

   অ্যালার্জির সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও এক বছরের মধ্যে দুই বা তার চেয়ে বেশী বার সাইনাসের ইনফেকশন হওয়া।   

৩।

দুই মাস বা তার বেশী সময় অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার পরও কাজ না হওয়া।

প্রতি বছর অন্তত একবার নিউমোনিয়া  হওয়া।

৪।

এক বছরের মধ্যে দুই বা তার বেশী বার নিউমোনিয়া  হওয়া।

দীর্ঘদিন ধরে ডায়রিয়া এবং ওজন কমে যাওয়া।

৫।

বার বার চামড়ার গভীরে বা দেহের ভেতরে পুঁজ জমা।

বার বার ভাইরাসের সংক্রমণ যেমন সর্দিকাশি, হার্পিস ইত্যাদি।

৬।

শিশুর ওজন এবং শারীরিক বৃদ্ধি ঠিকভাবে না হওয়া।

জীবাণু সংক্রমণ থেকে মুক্তির জন্য বার বার অ্যান্টিবায়োটিক  ইনজেকশন প্রয়োগের প্রয়োজন হওয়া।

৭।

মুখের ঘা বা ত্বকের ছত্রাক সংক্রমণ সহজে ভালো না হওয়া।

বার বার চামড়ার গভীরে বা দেহের ভেতরে পুঁজ জমা।

৮।

   জীবাণু সংক্রমণ থেকে মুক্তির জন্য বার বার অ্যান্টিবায়োটিক  ইনজেকশন প্রয়োগের প্রয়োজন হওয়া।

মুখের ঘা, ত্বক বা অন্যান্য স্থানের ছত্রাক সংক্রমণ সহজে ভালো না হওয়া।

৯।

দুই বা তার বেশী বার রক্তে কিংবা দেহের ভেতরে জীবাণু সংক্রমণ হওয়া।

সাধারণত ক্ষতি করে না এমন জীবাণু দিয়ে সংক্রমণ সৃষ্টি হওয়া।

১০।

পরিবারে আর কারো প্রাইমারী ইমিউনোডেফিসিয়েন্সী হবার ইতিহাস থাকা।

পরিবারে আর কারো প্রাইমারী ইমিউনোডেফিসিয়েন্সী হবার ইতিহাস থাকা।

এগুলোর মধ্যে যে কোন দুটি বা তার বেশী লক্ষণ দেখতে পেলে দেরী না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন এবং রোগ নিরূপণের চেষ্টা করুন।

৭৩৮৬ বার পড়া হয়েছে আগস্ট ১২, ২০১৭


৭৩৮৬ বার পড়া হয়েছে


agency_content's picture

লিখেছেন টনিক

ভালো থাকতে ছোট বড় সব চেষ্টায় আপনার পাশে আছি আমরা। টনিক।

সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন

উত্তর দেখুন
 
লোডিং...

টনিক ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন

আজই টনিকের সকল সাধারণ ফিচার উপভোগ করুন

আপনার গ্রামীণফোন নাম্বারটি প্রদান করুন

০১৭ -

Top