সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কি নেশা হয়ে উঠছে?

বেশ কিছুক্ষণ ফোনটা না দেখলেই কি আপনার অস্বস্তি লাগতে থাকে? খাওয়ার আগেই খাবারের ছবিটি আপলোড দেয়ার জন্য কি হাত সুরসুর করতে থাকে? ঘুম ভাঙার পর প্রথমেই কি ফেসবুকে চেক করেন কত লাইক/কমেন্ট আর শেয়ার আসলো আপনার ছবিতে? তাহলে জনাব, বলা যেতে পারে আপনিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসক্ত।

বাংলাদেশ সরকার অনুমান করে যে, বাংলাদেশের মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারী জনসংখ্যার মধ্যে শতকরা ৮০ ভাগই ফেসবুক ব্যবহার করে, এবং প্রায় ৬০ ভাগ ব্যবহারকারীই ১৩ থেকে ২২ বছর বয়সী, যে বয়সটার কাছে সময়সীমার কোনো জ্ঞান বা মূল্য থাকে না। ফলে এই অভ্যাস আসক্তিতে পরিণত হয় সহজেই। এখানে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমকে বিদায় জানানোর ৫টি কার্যকর উপায় দেয়া হল!

১) বাস্তবসম্মত লক্ষ্য সেট করুন- ফোন না দেখে পার করুন ৩০ মিনিট বা সারাদিন, যেটা আপনার সম্ভব মনে হয়। শুরুতেই নিজেকে বেশি চাপ না দিয়ে, আস্তে ধীরে সময় বাড়াতে থাকুন। প্রয়োজনে টাইমার ব্যবহার করুন। 

২)পুশ নোটিফিকেশনসবন্ধ করুন - প্রতিবার একটি নোটিফিকেশন আসার সাথে সাথে আপনার মনোযোগ ফোনের দিকে চলে যায়। অতঃপর ফেইসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামে পার হয়ে যায় অনেক সময়। তাই বাস্তব জীবনের সম্পর্ক, কাজ ইত্যাদির মত গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলিতে ফোকাস রাখতে সব অ্যাপ থেকে পুশ নোটিফিকেশন অফ করে দিন। এতে শুধু নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন চেক করা সম্ভব হবে।

৩) আপনার 'ফ্রেন্ডস' এবং 'ফলো' লিস্ট সাফ করুন- ব্যাপারটা খুব সহজ। যত বেশি মানুষ, তত বেশি সময় নষ্ট। তাই একটু ভেবে দেখুন এই মানুষটি আপনার জীবনে কোন ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে কি না। যদি উত্তরটি 'না' হয় তবে "ডিলিট ফ্রেন্ড" বা "আনফলো" চেপে দীর্ঘমেয়াদী কল্যাণের দিকে এগিয়ে যান।

৪) ফোন থেকে দূরত্ব- আমরা সুবিধাবাদী প্রাণী। ফোন যদি নাগালের বাইরে থাকে, তাহলে বারবার উঠে ফোন চেক করতে ইচ্ছা করবে না। তাই ফোনটি রাখুন নাগালের বাইরে, তখন আর ঘনঘন ইন্টারনেটে যাওয়া হবে না।

৫) সময় ব্যয় যেন ফলদায়ক হয়- যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করতে থাকবেন, তখন বিভিন্ন  ডিজিটাল ব্লগ পড়া বা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার মাধ্যমে আপনার ফোকাস এমন দিকে নিয়ে যান যা কাজে লাগবে। টনিকের ফেইসবুক পেজে লাইক দিয়ে রাখলে আপনার নিউজফিডেই পাবেন স্বাস্থ্য পরামর্শ, স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের উপায়, বিভিন্ন স্বাস্থ্য ও রোগ সম্পর্কিত তথ্য এবং অন্যান্য পরিসেবা সম্পর্কিত তথ্য।

লক্ষ্য হতে হবে ফোনে থেকে বিরতির মাত্রা বাড়ানো। যখন ফোন আপনাকে নয়, আপনি আপনার ফোনকে নিয়ন্ত্রণ,করবেন। এই ধরনের অনেক সমস্যা নিরসনে সহায়তা পেতে টনিক অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করুন এবং এর সমস্ত পরিসেবাগুলি উপভোগ করতে টনিকে সাবস্ক্রাইব করুন।

১৬২১ বার পড়া হয়েছে সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৭


১৬২১ বার পড়া হয়েছে


agency_content's picture

লিখেছেন টনিক

ভালো থাকতে ছোট বড় সব চেষ্টায় আপনার পাশে আছি আমরা। টনিক।

সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন

উত্তর দেখুন
 
লোডিং...

টনিক ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন

আজই টনিকের সকল সাধারণ ফিচার উপভোগ করুন

আপনার গ্রামীণফোন নাম্বারটি প্রদান করুন

০১৭ -

Top