আপনার সঙ্গী কি আপনার নাক ডাকার কারণে বিরক্ত? আপনার নাক ডাকা কি তাদের রাতের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে? নাকি আপনার  নিজেরই বিশ্রাম ব্যাহত হচ্ছে? তাহলে এই সমস্যাটির সমাধান করার এখনই সময়! আজকাল অনেক স্প্রে বা ওষুধ থাকলেও ১০০% সাফল্যের হার নেই অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। তাই আমরা এখানে কিছু প্রাকৃতিক প্রতিকার এবং সমস্যাটির সমাধান করার কিছু উপায় দেখবো।

শোয়ার ধরন পরিবর্তন:

চিৎ হয়ে শোয়ার কারণে অনেক সময় আমাদের শ্বাসতন্ত্র এমন অবস্থায় চলে যায় যে নিঃশ্বাসের কম্পন নাক ডাকার শব্দ তৈরী করে। এক পাশ হয়ে শুলে এটি সহজেই বন্ধ করা যায়।

ওজন নিয়ন্ত্রণ:

অনেক সময় স্থূলতা নাক ডাকার কারণ হতে পারে। নিয়মিত ব্যায়াম করে, গলার দিকের মেদ কমিয়ে এটি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

গলা এবং জিহ্বার ব্যায়াম:

পুরুষদের শ্বাসনালী সাধারণত নারীদের তুলনায় সংকীর্ণ হয়, যা তাদের নাক ডাকার প্রবণতা বাড়ায়। আর স্বরতন্ত্রের কাছাকাছি ফ্যাটি পেশী বেশি থাকায় নাক ডাকা হয় আরো ভারী। কিন্তু আশা হারাবেন না। গলা এবং জিহ্বার পেশী নিয়মিত নাড়াচাড়া করে এই সমস্যাটি কমাতে পারবেন। আপনার চোয়াল খুলুন ও প্রসারিত করুন এবং তাদের আবার বন্ধ করুন। এই ব্যায়ামটি পুনরাবৃত্তি করুন কিন্তু খুব বেশি প্রসারিত করতে যেয়ে বিপদ ঘটাবেন না।

আপনার অনুনাসিক পথ খোলা রাখুন:

নাক বন্ধ থাকলেও নাক ডাকা শুরু হতে পারে। তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিশ্চিত করুন অনুনাসিক পথ গুলো খোলা আছে নাকি। যদি নাক বন্ধ থাকে তবে একটি নাকের ড্রপ অথবা মেনথল ব্যবহার করুন। যদি পারেন, বিছানায় যাওয়ার আগে গরম পানি দিয়ে গোসল করে নিন। এটি নিঃশ্বাসের রাস্তা খুলতে সহায়তা করে।

নাক ডাকা যদি এ ধরণের উপায় গ্রহণ করেও বন্ধ না হয়, তবে টনিকের মাধ্যমে একজন ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন অথবা একজন টনিক ডাক্তারের সাথে কথা বলুন যেকোনো সময়। আর জীবন সহজ করার আরও উপায় জানতে টনিক অ্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য চ্যানেল অনুসরণ করতে সাবস্ক্রাইব করুন। 

agency_content's picture
লিখেছেন
টনিক
Tonic is there to assist you no matter how big or small your problems may be